খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

লক্ষ্মীপুরে নারকেলের ছোবড়ায় কোটি টাকার বাণিজ্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লক্ষ্মীপুরে নারকেলের ছোবড়ায় কোটি টাকার বাণিজ্য

যোগফল প্রতিবেদক: 

 একসময় নারকেলের ছোবড়া ফেলে দেওয়া হতো আবর্জনা হিসেবে। কেউ কেউ ব্যবহার করতেন রান্নার জ্বালানি হিসেবে। সময়ের সঙ্গে সেই অবহেলিত ছোবড়াই এখন পরিণত হয়েছে মূল্যবান সম্পদে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের হাত ধরে লক্ষ্মীপুরে গড়ে উঠেছে নারকেলের ছোবড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প। এ শিল্পকে ঘিরে জেলায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় প্রায় ৩০টি কারখানা। এসব কারখানায় ছোবড়া থেকে আঁশ ও গুঁড়া তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থান, বাড়ছে স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় নারকেলের ছোবড়া থেকে উৎপাদিত আঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে জাজিম, গদি, দড়ি, স্লিপার, খেলনা ও বিভিন্ন শৌখিন সামগ্রী। অন্যদিকে, আঁশ তৈরির সময় উপজাত হিসেবে পাওয়া গুঁড়া বা কোকোডাস্ট ব্যবহার করা হচ্ছে কৃষিকাজে। বিশেষ করে যেসব বাগানে মাটির ঘাটতি রয়েছে, সেখানে এই গুঁড়া কাজে লাগানো হচ্ছে।

জেলার রায়পুর উপজেলার হায়দরগঞ্জ, সদর উপজেলার দালাল বাজার, মান্দারী ও চন্দ্রগঞ্জ, রামগঞ্জ উপজেলার পানপাড়া, মীরগঞ্জ ও সোনাপুর, কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট এবং রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ও জমিদারহাট এলাকায় এসব কারখানা গড়ে উঠেছে। প্রতিটি কারখানায় নারী ও পুরুষ মিলিয়ে আট থেকে ১০ জন শ্রমিক কাজ করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুর জেলায় ২ হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে নারকেলের বাগান রয়েছে। এ ছাড়া জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় রয়েছে নারকেলগাছ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলায় ২৭ হাজার ১২০ মেট্রিক টন নারকেল উৎপাদিত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮১ কোটি টাকা। এ ছাড়া গত এক বছরে শুকনা নারকেল ও ডাব মিলিয়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার আয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজারের একটি ছোবড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, কারখানার চত্বরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে নারকেলের ছোবড়া। ডিজেলচালিত যন্ত্রের সাহায্যে ছোবড়া ছোট ছোট খণ্ড করা হচ্ছে। পরে নারী ও পুরুষ শ্রমিকেরা হাত দিয়ে সেসব খণ্ড থেকে আঁশ আলাদা করছেন। এরপর আঁশ রোদে শুকিয়ে প্লাস্টিকের সুতা দিয়ে বেঁধে তৈরি করা হচ্ছে গাঁট। স্থানীয়ভাবে এসব গাঁটকে ‘বেল’ বলা হয়। প্রতি বেলে থাকে ২০ কেজি আঁশ। অন্যদিকে, আঁশ ছাড়ানোর সময় পাওয়া গুঁড়া বস্তায় ভরে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। পরে আঁশ ও গুঁড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

কারখানার মালিক গাজী হাসমত জানান, প্রতিটি নারকেলের ছোবড়া দুই থেকে তিন টাকায় কেনা হয়। তাঁর কারখানা থেকে উৎপাদিত আঁশের ছয় থেকে সাত ট্রাক দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। প্রতি ট্রাক আঁশের দাম ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। ছোবড়ার গুঁড়াও ভালো দামে বিক্রি হয়। স্থানীয় নারকেল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ছোবড়া সংগ্রহ করে কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এখানে আট থেকে ১০ জন শ্রমিক কাজ করেন।

স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক ও ব্যবসায়ী জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে নারকেল সংগ্রহের পর সেগুলো ছাড়িয়ে ছোবড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় আনা হয়। প্রতিটি কারখানা থেকে মাসে প্রায় তিন লাখ টাকার ছোবড়া বিক্রি হয় বলে তাঁরা জানান। এ শিল্পের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জেলা বিসিক শিল্পনগরীর উপব্যবস্থাপক মো. ফজলুল করিম বলেন, লক্ষ্মীপুর নারকেল, সুপারি ও সয়াবিনের জন্য পরিচিত। তবে নারকেলের ছোবড়াও একটি সম্ভাবনাময় শিল্প। এ শিল্পের সঙ্গে প্রায় ৩০ জন উদ্যোক্তা জড়িত রয়েছেন। উদ্যোক্তারা বিসিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও শিল্প নিবন্ধনের সুযোগ পেতে পারেন। বিসিকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধাও পাবেন।

লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জহির আহমেদ বলেন, জেলায় নারকেলের আবাদ বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৭ হাজার ১২০ মেট্রিক টন নারকেল উৎপাদিত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮১ কোটি টাকা। এ বছর প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৪০ হাজার নারকেলের চারা বিতরণ করা হয়েছে। নারকেল ও ডাবের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকেরা এ ফসলের আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও সহজ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা গেলে লক্ষ্মীপুরের নারকেলের ছোবড়াভিত্তিক শিল্প আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। এতে অবহেলিত একটি কৃষিজ উপজাতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম